ফ্লাট বা জমির দাম সব সময় একি ধারাবাহিকতায় বাড়তে থাকে না। এটা অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভরশীল বিশেষ করে ব্যাবসার অন্যান্য সেক্টর স্বাভাবিক গতিতে চলমান থাকা, ব্যাংক লোনের সুবিধা, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামগত উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রবাসীদের বিনিয়োগ, নির্মাণ সামগ্রীর দাম, বাজারে সাপ্লাই ও ডিমান্ড এর ভারসাম্য এই সকল বিষয় এনালাইসিস করে একজন বিনিয়োগকারী বা ক্রেতার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু এই বিযয়ে একজন ইনভেস্টমেন্ট কনসালটেন্ট সঠিক ধারণা দিতে পারবে যা একজন ক্রেতাকে সঠিক ও সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
২০২০ সালে কভিড কালীন সময় দৈনিক ইত্তেফাক পএিকায় একটা আর্টিকেল লিখেছিলাম -যার শিরোনাম ছিল "আবাসন শিল্পে বিনিয়োগ করার এখনই সময় " কেন ওই সময়টা বিনিয়োগ করার জন্য সবচেয়ে ভাল ছিল এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম।আমার পরিচিত অল্প কয়েকজন বিনিয়োগকারী ঐ লেখা অনুযায়ী বিনিয়োগ করে ছিলেন।যারা বিনিয়োগ করেছেন মাত্র আড়াই থেকে তিন বছরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রোপারটির দাম দ্বিগুণ হয়ে গেল।এছাড়া ঐ সময় কোথায় এবং কেমন প্রোপারটির দাম সর্বোচ্চ বাড়তে পারে তা বিভিন্ন প্যারামিটার এনালাইসিস করে তাদেরকে গাইডলাইন দিয়েছিলাম। যা একজন বিনিয়োগকারির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় যাদের বিনিয়োগ করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগ করেন নাই এবং অপেক্ষা করছিলেন আরো দাম কমতে পারে তার সবাই পরে ভুলগুলো বুঝতে পারছেন। কারণ সেই সময়কাল ছিল মাএ ১ বছর।
বর্তমানে বাংলাদেশের এরকম একটি সময় যাচ্ছে।এই সময় প্রপার্টি বেচাকেনা অনেক কম হবে। হঠাৎ দেশের এরকম পরিস্থিতি হওয়াতে সকল প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট চলমান গতিতে আছে কিন্ত হুটকরে ফ্লাট ক্রয়ের চাহিদা কমে গেল।এই অবস্থায় রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী অনেকেই ব্যাবসায় টিকে থাকার জন্য অল্প দামে কিছু প্রপার্টি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া অনেক বিক্রেতা রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়ীক ঝামেলার কারণে অল্প দামে ফ্ল্যাট / জমি বিক্রি করার সম্ভাবনা আছে।এটা খুব স্বাভাবিক হুট করে ডিমান্ড কমে গেলে যেকোনো প্রোডাক্ট এর দাম অনেক ক্ষেত্রে কমে যায়।
যারা চিন্তা করছিলেন অনেকদিন যাবত ফ্লাট/জমি কেনার জন্য কিন্তু বিভিন্ন কারণে কেনা হয়ে ওঠেনি। ফ্ল্যাট/জমি কেনার জন্য এখনই সবচেয়ে ভালো সময়। কারণ এই সময় কাল সর্বোচ্চ ৮ মাস থাকবে। অর্থাৎ এ বছরে ২০২৪ জুলাই থেকে ২০২৫ ফ্রব্রুয়ারি পর্যন্ত।তার পরে যখন দেশের সকল ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক গতিতে চলবে তখন ফ্লাটের/জমির দাম ধীরে ধীর বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।অর্থনীতির এই চরম মন্দা সময়ে মাঝে মাঝে বাজার মূল্য থেকেও অনেক কম দামে প্রপারটির মালিকরা ফ্ল্যাট বিক্রি করার জন্য চেষ্টা করে থাকেন।
Pic from @সারাহ্ Fb Profile
আপনার ফ্লাট/জমি কেনার প্রক্রিয়ায় যে ধরনের কনসালটেন্সি সার্ভিস প্রয়োজন হয় বিশেষ করে ফ্লাট পার্সেস চেকলিস্ট ,হোম ইনেক্সপেক্সন, প্রপার্টি ভ্যালুয়েশন,নেগোসিয়েশন, ডকুমেন্টেশন চেক এবং ভেরিফিকেশন,কমন এবং কার্পেট এরিয়া মেজারমেন্ট, এগ্রিমেন্ট ড্রাফ লেটার তৈরি করা,রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এই সকল বিষয়ে আমরা(Apartment Purchase Consultancy Service) প্রফেশনাল এক্সপার্টদের সহায়তায় সার্ভিস প্রদান করে থাকি। ফ্লাট ক্রয় সংক্রান্ত অথবা রিয়েল এস্টেট সেক্টরে যে কোন শাখার বিনিয়োগের পরামর্শ সেবার জন্য (01942-119900) WhatsApp যোগাযোগ করতে পারেন।
Writer : Md.Shafiul Islam Rayhan (Real Estate Investment Consultant)
D&P : 14/09/2024, Bashundhara R/A, Block # L, Afroza Begum Road
.png)


0 মন্তব্যসমূহ