বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট কেনার জন্য কি কি ডকুমেন্ট চেক করতে হবে

বর্তমানে ঢাকা শহরে কোন একটি নির্দিষ্ট এলাকায় মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্লাট বিক্রয় হয়ে থাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নতুন ফ্ল্যাটের পাশাপাশি পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড প্রচুর ফ্ল্যাট এখানে প্রতি বছর বিক্রি হয়ে থাকে_একজন সচেতনক্রেতা হিসেবে  ফ্লাট কেনার জন্য বেশ কিছু ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।কিন্তু  বেশিরভাগ ক্রেতা বা বিনিয়োগকারী কি কি ডকুমেন্ট চেক করতে হবে এবং কিভাবে সেটা করতে হবে  বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সর্বনিম্ন সার্ভিস চার্জ এর বিনিময় এই সার্ভিসগুলো নিয়ে থাকেন যা ভবিষ্যতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
একজন সচেতন ক্রেতা হিসাবে প্রাথমিক ভাবে যে চারটি বিষয় জেনে নেওয়া প্রয়োজন : .......
"ফ্ল্যাট কেনার পূর্বে যে সব বিষয় জানতে হবে"

 



বেশিরভাগ জমির মালিক ডেভলপার কোম্পানির সাথে জয়েন ভেঞ্চারে চুক্তির ক্ষেত্রে সাইনিং মানি কত টাকা পাবেন এই বিষয়ই অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এই বিষয়টি যেমন গুরুত্বপূর্ণ এর পাশাপাশি আরো বেশ কিছু বিষয় থাকে যা জয়েন ভেঞ্চার চুক্তির পূর্বে বিশেষ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন ।একজন জমির মালিক হিসাবে প্রথমেই আপনার জেনে নেওয়া প্রয়োজন কোন আইনের উপর ভিত্তি করে আপনার জমি একটি ডেভলপার কোম্পানির কাছে পাওয়ার দিচ্ছেন এবং যৌথ মালিকানায় বাড়ি নির্মাণ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। মূলত পাওয়ার অফ এ্যাটোনি ২০১২ ও রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এই দুটি আইনের উপর ভিত্তি করে করে ডেভলপার কোম্পানির সাথে জমির মালিকের চুক্তিবদ্ধ হতে হয়।





ঢাকা শহরে মধ্যে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সবচেয়ে বেশি জমি বেচাকেনা হয়ে থাকে  । কারণ এখানে A ব্লক থেকে P ব্লক পর্যন্ত ৩৫০০০ প্লট রয়েছে।আর বালু নদীর পরে জলসিড়ি প্রোজেক্টের উত্তর দিকে আরো ১৫০০০ প্লট রয়েছে। গত ৩০ বছরে এই এলাকায় জমির দাম ঢাকা শহরে যে কোন এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে এখানে জমি বেচাকেনা একটা বড় ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই এলাকায় জমি কেনার জন্য সাধারণত দুই ধরনের লোকের  কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়া দরকার হয়  রিয়েল এস্টেট পরামর্শক ২ )রিয়েল এস্টেট এজেন্ট 


ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট এর ভিতরের যে অংশটুকু আমরা সরাসরি ব্যবহার করতে পারি সেটাকে কার্পেট এরিয়া বা নেট এরিয়া বলে।আর নেট বা কার্পেট এরিয়ার বাহিরে যে স্পেসটা হেভি ইকুইপমেন্ট ( লিফট, জেনারেটর, পাম্প, সাব-স্টেশন) ইনস্টলেশন ও ফ্ল্যাটের সর্বসাধারণের সুবিধার জন্য ব্যবহার হয় সেটাকে কমন স্পেস বলা হয়। একটি এপার্টমেন্টের কার্পেট স্পেস আমরা যতটা সহজেই হিসাব করতে পারি,কিন্তু ততটা সহজে কমন স্পেস হিসাব করা যায় না ........


প্রতি বর্গফুটে একটি ফ্ল্যাটের নির্মাণ খরচ কত এই প্রশ্নের উত্তর কিছুটা জটিল। নির্মাণ খরচ সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে না,তবে সামগ্রিক ভাবে এই বিষয়ে একটা ধারনা দেওয়া যেতে পারে।প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ মূলত নির্ভর করে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে ডেভেলপার কোম্পানী কেমন কোয়ালিটির নির্মাণ সামগ্রী ও হেভি ইকুইপমেন্ট (লিফট, জেনারেটর, পাম্প ও সাব স্টেশন) ব্যবহার করে বাড়িটি নির্মাণ করবে তার উপর......

”প্রতি বর্গফুটে একটি ফ্ল্যাটের নির্মাণ খরচ কত ?”

ফ্ল্যাট ক্রয় করা হচ্ছে জীবনে বড় ধরনের ইনভেস্টমেন্ট। আমরা যখন কোন শপিং মল থেকে একটা শার্ট কিনতে যাই তখন শার্টটি পুনরায় বিক্রি করার বিষয় কখনো চিন্তা করিনা। এটা হচ্ছে খরচ। অর্থনীতির ভাষায় বিনিয়োগ এবং খরচের মধ্যে পার্থক্য আছে ।A cost is simply an expenditure of money but an investment is an expenditure that has a strong possibility of return. সুতরাং দেখা যাচ্ছে বিনিয়োগের রিটার্ন ভ্যালু আছে কিন্তু খরচে কোন রিটার্ন ভ্যালু নাই। এই রিটার্ন ভ্যালু এবং রেভিনিউ  .........

“ফ্ল্যাট কেনার জন্য কেন একজন রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট কনসালট্যান্ট প্রয়োজন?”

ফ্ল্যাটটি যদি আপনি কোন ডেভলপার কোম্পানী কাছ থেকে কিনে থাকেনতবে ফাইনাল পেমেন্ট দেওয়ার সাথে সাথে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং হ্যান্ডওভার সার্টিফিকেট উক্ত কম্পানি কাছ থেকে বুঝে নিয়ে ফ্ল্যাটের সবগুলো চাবি নিজ দায়িত্বে নিবেন এবং সম্ভব হলে নিজে বসবাস করতে শুরু করবেন অথবা ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফ্ল্যাটটি যত দ্রুত সম্ভব রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া ভালো.......




ফ্ল্যাট ক্রয় করার বিষয়টি খুব সহজ ভাবে চিন্তা করা ঠিক না। এটা অনেকগুলো বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত। ফ্ল্যাট ক্রয় করার পূর্বে একজন কাস্টমার কে মিনিমাম ধারণা নেওয়া প্রয়োজন এবং ফ্ল্যাট ক্রয়ের প্রক্রিয়াটির প্রত্যেকটি ধাপ সম্পর্কে সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এখানে আমরা পেশাদার রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ  পরামর্শকের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে  কাস্টমারের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তার টাকা ও সময়ের মল্যায়ন করে সঠিক গাইড লাইন দিয়ে থাকি। পাশাপাশি ফ্ল্যাট কেনার বিষয়ে যে কোন প্রকারের প্রতারণা বা অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার থেকে রক্ষা করে একজন ক্রেতাকে তার বাজেট এবং পছন্দের লোকেশনের সমন্বয়ে একটি লাভজনক লেনদেনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফাইড কপি তুলে দেওয়া হয়।






একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ